ঢাবি অভ্যন্তরীন বহিরাগত সমস্যা ক্যাম্পেইনটারে আমার সবসময়ই ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বৈধতাসূচক একটা ক্যাম্পেইন মনে হইত৷ “ভাই কি ক্যাম্পাসের?” বইলা যে ছিনতাই, লুটপাট ও ইভটিজিং এর ঘটনাগুলা আমরা শুনতাম সেগুলা তো ওরাই করতো না কি? এ নিয়া আলভীর আকা একটা ছবি এই ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ন অংশ ৷ এসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ড নিয়া বিভিন্ন...
রাজনীতি
আবরারের খুনের পর বুয়েট হইতে রাজনীতি নিশিদ্ধের দাবি অদূরদর্শী ছিলো। ওই শময় আরও বেটার দাবি দাওয়া উত্থাপন ও আদায়ের সুজোগ ছিল, আন্দোলনকারিদের। কিন্তু এই দাবি উনারা করছিলো, শুধু ছাত্রলীগরে শমশ্যা মনে কইরা না, বরং লিগবিরোধি, ইন্ডিয়াবিরোধি আলটপকা রাজনৈতিক মতামত প্রদানও যে শমশ্যা শেই বিশয়ে এক ধরনের শিথিল ও আধাশচেতন ঐকমত্য...
মাওলানা ভাশাানিরে বুঝতে পারি আমি, তারে লাইকও করি। মাওলানার ঘাটতিগুলা আমার ভিতরেও কম বেশি আছে, তাই বুঝতে কিছু শুবিধাও হয়। এই জামানার পলিটিক্সে জেই হেকমত বা কৌশলের আলাপ দেখেন মাঝে মাঝে, এই হেকমতের শবচে পজিটিভ ভার্শনটা পাইবেন মাওলানার মাঝে; ওনার ভিতর মদে ঘেন্না ছাড়া তেমন কোন ঘেন্না আছিলো না; আজকে...
আমার ধারণা, এ, আর. রহমানের সুরটা শুনলে কাজী নজরুল ইসলাম মোটেই খেপতেন না, বেশি হইলে একটু হাসাহাসি করতেন, এর বেশি কিছু না। এইটা মনে হওয়ার কারণ হইতেছে কাজী মোতাহার হোসেনের একটা অবজারভেশন। (কোটেশনটা লেখার শেষে রাখতেছি।) অইখানে কাজী মোতাহার হোসেন বলতেছেন ‘সামান্য রদবদলে’ তেমন আপত্তি করতেন না কাজী নজরুল ইসলাম,...
৭ই নভেম্বরের ঘটনাটারে খুবই ন্যারো জায়গা থিকাই এতদিন দেখা হইছে এবং এখনো দেখা হইতেছে বইলাই আমার ধারণা। এস্টাবলিশড নেরেটিভটা হইতেছে যে, স্বাধীনতার পরে আওমিলিগের দুঃশাসন, লুটপাট ও একদলিয়-শাসনের (বাকশালের) কারণে কয়েকটা মিলিটারি ক্যু হইছিল, যার মধ্যে ৭ই নভেম্বর একটা; এই ক্যু’র ভিতর দিয়া জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেন, জাসদের লগে বেঈমানি...
ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ প্রশ্ন ফরহাদ মজহারেরা কেমনে মোকাবিলা করেন/ করছেন তার একটা নকশা এইখানে(আমার বক্তব্যের শেশে কোটেশন মার্কের ভেতর) দেখতে পাই। বাকশালও এমনেই দেখে; নকশা এক কিন্তু পজিশন উল্টা, ভারতবাদি। এনাদের এই রেডিকেল, বিপ্লবী, ইন্টারন্যাশনাল চাহিদার ফ্যারে পইড়া বাংলাদেশের নিজেদের পলিটিক্স দাড়াইতে তো পারেই নাই, সেইটা যারা কদাচ করতে গেছে...
‘টিপ অব দ্য আইছবার্গ’- কথাটা খুব চেনাই শকলের, তবু কতগুলা আলাপ ঐ টিপেই আটকাইয়া থাকে, ছামহাউ, নিচে আর নামে না অনেকেই! মানে, কইতেছিলাম আফসান চৌধুরি হইলেন তেমনই একটা টিপ মাত্র, এবং এর নিচে মস্ত একটা কালেকটিভ রুচির আইছবার্গ আছে; বা কইতে পারেন জে, একটা কালেকটিভ রুচি তার কপালে আফসান চৌধুরি...
পরিবারতন্ত্র বইলা একটা টার্ম দেশের বাংলা মিডিয়ামের ছিভিল ছোছাইটিতে পপুলার হইছিলো; বামাচারি ‘ছহি’ আওমি লীগারদের ভিতর ১৯/২০ ভাবনার মতোই এইটাও বেশ চলে এখনো। কিন্তু এই লোকগুলা জদি পুরাই দুই নাম্বার না হইতো, তাইলে এনাদের তারিফ শবচে বেশি পাবার কথা জিয়ার! কেননা, দেশের ইতিহাশে জিয়া্ই একমাত্র শাশক জেই লোক পরিবারতন্ত্র উতরাইতে...
এইরকম একটা কথা-বার্তা বাজারে অনেকদিন থিকাই চালু আছে যে, বিএনপি আর আওমিলিগ তো একইরকমের দল – পরিবারতন্ত্র দিয়া চলে, দলের ভিতরে ডেমোক্রেসি নাই, ইকনোমিক পলিসিতে কোন ডিফরেন্স নাই, পুপলিস্ট, এইরকম অনেককিছুই। (স্পেশালি আওমিলিগের কালচারাল উইংয়ের বাম-বাটপারদের নেরেটিভ এইটা।) কিন্তু একটা ডিফরেন্সের জায়গা ছিল বিএনপি’র, যখন খালেদা জিয়া দলটারে লিড করতেছিলেন।...
এমেরিকার স্যাংশনের বার্তায় বিএনপির কেয়ারটেকার মুভমেন্ট খোয়া যায় না। এইটা দিয়া এইটাও বোঝায় না বিএনপি এমেরিকার উপর এক্সক্লুসিভলি ডিপেন্ডেন্ট। বিএনপির পলিটিক্স ঠিক আছে। এমেরিকার পসিবল স্যাংশন আর কেয়ারটেকারের আন্দোলন আলাদাই। বিএনপি পাবলিকের লাইনেই আছে। কিন্তু গবমেন্ট কেন পাবলিকেরে পুছবে? গবমেন্ট যদি পাবলিকেরে পুছতোই তাইলে ভোট তো ঠিকঠাকই হইত। পুরা জিনিসটাই...